উজ্জল পর্দার পেছনে লোকানো কালো রুপ [ HIDDEN DARK SIDE OF GLAMOUR WORLD ]

    


 যখন আমি ছোটো ছিলাম আমারও ইচ্ছে করতো
 আমিও বড় পর্দার হিরো হবো, কিন্তু আজ ভয় করে!  
কারণটা এই নয় যে আমি অভিনয় করতে পারবো কি না, কারণটা হচ্ছে - আমি কোনো বড় ঘড়ের ছেলে নয়, আমার পরিবারের কেউ বলিউড - এর  নাম খ্যাত অভিনেতা বা সিনেমার পরিচালক নয়। প্রথমে  ভাবতাম প্রতিভা থাকলে প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ পাওয়া যাবে, কিন্তু বেশ কিছু খবর আপনার ও আমার দৃষ্টি ভঙ্গিটা পরিবর্তন করে দিলো।

 কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে দিলো যে উজ্জল পর্দায় দেখানো ব্যাক্তিত্ব এবং পরিচালকেরা সত্যি কি স্পর্ট লাইটের মতো উজ্জল? কানি মানবিকতার মুখোশ পরিধারণ করা অমানুষ।


আজ  সুশান্ত সিং রাজপুত- এর মৃত্যু বলিউডের কিছু কালো দিক জনগণের কাছে প্রকাশ করে দিয়ে গেলো, কিন্তু  আরো কতো যে কালো দিক লুকিয়ে রয়েছে এই বলিউডে কে জানে।

 মাত্র ৩৪ বছর বয়সী যুবক ছিলো সে, তার প্রতিভার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলো সে। 
 নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়ে ছিলো, কিন্তু কিছু মানুষের পছন্দ ছিলো না হয়তো তার এই প্রতিভা। কারণ ওই অল্প সময়ে সে এতো  নাম খ্যাত অভিনেতা হয়ে পড়েছিল যে কিছু বলার ছিলো না। তাই কিছু বড় মানুষ নিজেদের বড়  রাখতে এবং ওই যুবককে স্তব্ধ করতে তারা সেই যুবকের কাজ ছিনিয়ে নিলো। 



একটার পর একটা কাজ হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে দেখে মনমরা হয়ে গেলো ৩৪ বছর বয়সী যুবক। তবুও হার মানলো না  সে, কিন্তু এতো বড় বড় নামের সঙ্গে লড়বে সে কার দৌলতে? না তার পেছনে ছিলো কোন বড় মানুষের হাত ,  আর না ছিলো পরিজনের সাহারা। একাই নিজের স্বপ্ন গড়ার জন্য ছুটে বেরালো এদিক ওদিক, কিন্তু কেউ তাকে ও তার প্রতিভাকে দেখলো না। অবশেষে নিজের জীবনটাকে অসম্পূর্ণ রেখেই চলে যেতে হলো তাকে।
 না ফেরার দেশে রওনা দিলো আমাদের সবার প্রিয় “সুশান্ত সিং রাজপুত”


আবারও একবার নাম, যস, খ্যাতির, কাছে প্রতিভা হেরে গেলো। আবার ফুটে উঠলো ছোটো ও বড়র বৈষম্য।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

গাধার সাথে তর্ক [ Arguing With The Donkey ]

বিজয়ী [ winner ]

উদ্দেশ্যহীন জীবন [LIFE Without Hope]