পোস্টগুলি

বিজয়ী [ winner ]

ছবি
                              একটি গ্রামে শুভো আর রাজ নামে দুই বন্ধু ছিলো। তারা সমবয়সী হলেও রাজ একটু সাস্থ্য বান, ও শুভো একটু দুর্বল শরীরের ছিলো। গ্রামের সবাই তাদের দুজন কে মোটু - ছোটু বলেই ডাকতো, কিন্তু দুই বন্ধুর মনে কোনো বিভেদ মূলক ধারণা ছিলনা। এক সঙ্গে খাওয়া দাওয়া, এক সঙ্গে খেলাধুলা, বেশির ভাগ সময় টা এক সঙ্গেই কাটাতো   দুই বন্ধু। একদিন এইভাবে খেলতে খেলতে তারা দুজন গ্রামের বাইরে চলে যায়। নিজেদের খেলাই মগ্ন দুই বন্ধু বুঝতেই পারে না যে তারা গ্রামের বাইরে এসে পড়েছে। ঠিক সেই সময় রাজ একটি গভীর গর্তে পড়ে যায়, শুভো নিজের বন্ধু কে এইরকম অবস্থায় দেখে ঘাবরে যায়। সে বুঝতে পারে না যে তার বন্ধু কে সে কিভাবে ওই গর্ত থেকে বের করবে। শুভো এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে কিন্তু, কাউকেও সে দেখতে পেল না। সেখানে কেউ ছিলো না যে তার সাহায্য করবে নিজের বন্ধু কে ওই গর্ত থেকে বের করতে।  অবশেষে শুভো একটি দড়ি খুঁজে আনে এবং এক প্রান্ত সে নিজে ধরে রাখে, আর অন্য প্রান্ত তার বন্ধুর দিকে ছুড়ে দেয়। গর্তে পড়ে থাকা রাজ ওই দড়ি ...

মন জয় [ WIN A HEART ]

ছবি
                                 আজ এক দাদা আমার বাড়িতে এসে হাজির, আমি অবাক হয়ে গেলাম দাদা কে দেখে, এত বড় জমিদারের ছেলে আমার বাড়িতে! তার মধ্যেই দাদা বললেন "খোকন গাড়িটা খারাপ হয়ে গেল আশেপাশে কোনো গেরেজ নেই আর আমি আমার টাকা টাও বাড়িতে ফেলে এসেছি”। আমি - দাদা আপনি আগে বাড়িতে আসুন, দাদার জন্য বেছানাই নতুন চাদর পাতলাম, জমিদার বাড়ির ছেলে ভালো আরাম কেদারায় বসে অভ্যস্ত। আর আমার কোথাই তক্তা দেওয়া খাটিয়া! একটু ইতস্তত বোধ হলেও দাদাকে হাঁসি মুখে বসতে বললাম। দাদা বসলেন, দাদার জন্য সবথেকে ভালো মিষ্টি ও সিঙ্গাড়া আনলাম, দাদাও সেটা খুব ভালোবেসে খেলেন। দাদা _ আরে এতকিছু করার প্রয়োজন ছিলো না। আমি _ না দাদা আপনি আমার বাড়িতে আজ প্রথম এসেছেন, আপনি আমার অতিথী আর অতিথী কে আপ্যায়ন করা তো আমাদের কর্তব্য।  দাদা কথাটা শুনে একটু চিন্তাই পরে গেলেন। কিসের চিন্তা ঠিক আমিও বুঝতে পারলাম না। আমি দাদা কে হাক দিলাম “দাদা”। দাদা আমার দিকে তাকালো আমি দাদা কে বসিয়ে রান্না ঘরে গেলাম। আমি _ মা কে নতুন শাড়ি কিনে দেবো বলে চালের কৌ...

গাধার সাথে তর্ক [ Arguing With The Donkey ]

ছবি
                       এক দেশে শিয়াল ও গাধা দুই বন্ধু বাস করত। একদিন তারা দুজনে মাঠে চড়ছিল তখনই গাধা বলে উঠলো,  ‘ঘাসের রং লাল’। এই কথা শুনে শিয়াল গাধাটিকে উত্তর করে বলে না না ‘ঘাসের রং সবুজ’।এই নিয়ে শুরু হলো গাধা ও শিয়ালের মধ্যে বিরাট তর্ক, দুজনে সেটা মেটাতে না পেরে গেল সিংহের কাছে। সিংহ সব শুনে বলল গাধাকে মুক্ত দাও, আর শিয়াল কে এক মাসের জেলে দাউ।  Voice and edit by Rahul shaw শিয়াল মনে কষ্ট পেয়ে সিংহ কে বলল হুজুর ঘাস কি সবুজ নয়, সিংহ উত্তরে বলল হ্যাঁ ঘাস সবুজ  আমি তা জানি, আর আমি তো তোকে সেজন্য জেলে দিয়নি।আমি তোকে জেলে দিয়েছি কারণ তুই গাধার সঙ্গে তর্ক করেছিস।  বাস্তব জীবনেও আপনাদের সঙ্গে এমন কিছু মানুষের পরিচয় হয়ে থাকে, যারা বলেন যে তারা  নিজের দিক থেকে  সর্বদাই ঠিক। কিন্তু আমি মনে করি একটা মানুষ, যিনি সবকিছু না বুঝে বা দ্রুত বিচার করেন তিনি বেশির ভাগ ভুল ধারণা নিয়েই চলেন। আপনার জন্য এমন ব্যক্তি ক্ষতিকর হতে পারে কেননা তিনি জানেন না তিনি ভুল । আপনি হয়তো ব্যাপারটির সঠিক তথ্য নিয়ে ওনার সামন...

উজ্জল পর্দার পেছনে লোকানো কালো রুপ [ HIDDEN DARK SIDE OF GLAMOUR WORLD ]

ছবি
      যখন আমি ছোটো ছিলাম আমারও ইচ্ছে করতো  আমিও বড় পর্দার হিরো হবো, কিন্তু আজ ভয় করে!   কারণটা এই নয় যে আমি অভিনয় করতে পারবো কি না, কারণটা হচ্ছে - আমি কোনো বড় ঘড়ের ছেলে নয়, আমার পরিবারের কেউ বলিউড - এর  নাম খ্যাত অভিনেতা বা সিনেমার পরিচালক নয়। প্রথমে  ভাবতাম প্রতিভা থাকলে প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ পাওয়া যাবে, কিন্তু বেশ কিছু খবর আপনার ও আমার দৃষ্টি ভঙ্গিটা পরিবর্তন করে দিলো।  কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে দিলো যে উজ্জল পর্দায় দেখানো ব্যাক্তিত্ব এবং পরিচালকেরা সত্যি কি স্পর্ট লাইটের মতো উজ্জল? কানি মানবিকতার মুখোশ পরিধারণ করা অমানুষ। আজ  সুশান্ত সিং রাজপুত- এর মৃত্যু বলিউডের কিছু কালো দিক জনগণের কাছে প্রকাশ করে দিয়ে গেলো, কিন্তু  আরো কতো যে কালো দিক লুকিয়ে রয়েছে এই বলিউডে কে জানে।  মাত্র ৩৪ বছর বয়সী যুবক ছিলো সে, তার প্রতিভার মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলো সে।   নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়ে ছিলো, কিন্তু কিছু মানুষের পছন্দ ছিলো না হয়তো তার এই প্রতিভা। কারণ ওই অল্প সময়ে সে এতো ...

একটি নারীর প্রশ্ন আমি কে? [ WHO AM I ]

ছবি
              কখনো দেবী, কখনো স্ত্রী, কখনো আবার কলঙ্কিনী, আসলে আমি কে? কি আমার অস্তিত্ব?  এতগুলো প্রশ্ন ছুঁড়লো সে আমার দিকে,   সে..? আমার সঙ্গে কলেজে পড়া এক বান্ধবী!  প্রশ্ন গুলো শুনে আমিও ভাবনায় পরে গেলাম। উত্তরে কি বলবো! নারী হচ্ছে দেবীর স্বরূপ, তবুওতো উক্তিটি সঠিক হবে না। কারণ - ওই দেবীকেই যে অনেকে নিজের বাড়িতে আনতে চাইনা, অনেকের কাছে  বাড়িতে মেয়ে জন্ম নেওয়ার মানে মাথায় বোঝা। আবার কিছু জানোয়ার রূপ ধারী মানুষ ওই দেবীরি  শরীর শোষণ করে ফেলে দেয়। জঙ্গলের মাঝে,  ড্রেনের কোণে অথবা নির্জন এলাকায় পুড়ে যাওয়া শরীর পরে থাকে তার। কিন্তু আমি তো কখনই দেবীর এইরকম রূপ দেখিনি! আমি তো দেখেছি উল্লাসে আনন্দে দেবী কে বরণ করতে, আমিতো দেখেছি সসম্মানে এবং শ্রদ্ধায় তাকে স্মরণ করতে। তাহলে যদি নারী দেবী হয়, তবে তাদের প্রতি এরকম নিঠুর ব্যাবহার কেনো? আবার যদি বলি  কলঙ্কিনী, তাহলে অনেকের চোখে ভেসে উঠবে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থেকে নিজের শরীরের দাম দর করা এক মহিলার ছবি। সহজ ভাষায় আমরা যাকে বেশ্যা বলে থাকি, কিন্তু রাস্তার পাশে দাড...

অন্তিম চিঠি [ THE LAST LETTER ]

ছবি
                            ৩৪ বছর বয়সী অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত, বিভিন্ন প্রকার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মন জয় করেছেন তিনি। শুধু চলচ্চিত্র নয়  ব্যক্তিগত জীবনেও ইতিবাচক ধারণার মানুষ ছিলেন তিনি, কিন্তু তা সত্বেও অবসাদে ভুগছিলেন বেশ কিছুদিন ধরে। অবশেষে গলায় দরি নিয়ে আত্মহত্যা করলেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। পেছনে ফেলে গেলেন তার শেষ বার্তা, যেটা পড়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল তিনি কতটা বিষণ্নতায় ভুগছিলেন।  শেষ বার্তা ~ ছোটো বেলায় মা হারা হয়েছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত, মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা ফুটে উঠতো তার মধ্য থেকে। সুশান্তের দুটি বোন রয়েছে,  ১. শ্বয়েতা  সিং কীর্তি ২. মিতু সিং , একজন USA তে থাকেন এবং আর একজন দিল্লিতে। প্রায়  তার বোনেদের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন সুশান্ত। বিভিন্ন রকম সোশ্যাল মিডিয়া সাইডে একটিভ থাকতেন তিনি, নিজের প্রিয়জন, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতেন এবং নিজের মনের  কথা প্রকাশ করতেন তার ইনস্টাগ্রামে। আর এ রকমই একটি বার্তা তিনি তার ইনস্টাগ্রামের শেয়ার...

উদ্দেশ্যহীন জীবন [LIFE Without Hope]

ছবি
                      আত্মহত্যা করলেন বলিউড অভিনেতা ‘সুশান্ত সিং রাজপুত’, কিন্তু কেন করলেন তিনি আত্মহত্যা? টাকা পয়সা, বাড়ি গাড়ি, সবই তো ছিল তার কাছে তাহলে আত্মহত্যা করার কারণটা কি? আসুন কিছুটা জেনে নেওয়া যাক। বলিউডের নাম খ্যাত অভিনেতা সুশান্ত  সিং রাজপুত করলেন আত্মহত্যা ~ কিছুদিন আগে থেকেই মনমরা হয়ে ছিলেন তিনি, কোন রকমের চিন্তা হয়তো ভেতর ভেতর খেয়ে ফেলেছিল থাকে। আবার দীর্ঘদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন তিনি, চিকিৎসা করাচ্ছিলেন তার এই রোগের। কিন্তু এটাই কি তার আত্মহত্যার প্রধান কারণ? নাকি এর পিছনে জড়িয়ে রয়েছে কিছু ঘটনা।  ম্যানেজার দিসা সালিয়ান এর আত্মহত্যা~ সুশান্ত সিং রাজপুত এর ম্যানেজার দিশা সালিয়ান, মুম্বাইয়ের একটি হোটেলে তার বন্ধু এবং প্রেমিকের সঙ্গে পার্টি করছিলেন। হঠাৎ  বিল্ডিং- এর ১৪ নম্বর ফ্লোর থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। অনেক রকমের প্রশ্ন তাকে ঘিরে_ আত্মহত্যা- নাকি- ষড়যন্ত্র। এই খবরটি শেষ হতে না হতেই এসে পড়ে বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এর আত্মহত্যার ঘটনা। তাহলে কি এক্স ম্যানেজার দিশা সালিয়ানে...

বর্ণই কি মানুষের পরিচয়ই? [ is colour is the identity of man ?]

ছবি
                     আমরা দুই ভাই, আমি বড়, ছোট ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা আমার আগে থেকেই। একসঙ্গে খাওয়া,  খেলা করা, এমনকি দুষ্টুমি করার সময় দুই ভাই পরিকল্পনা করেই মা কে জ্বালাতন করতাম। কখনোই ছোটুকে নিজের থেকে আলাদা করতাম না, বড় দাদা নয় বন্ধু হয়ে তার সঙ্গে মিশেছিলাম। এই ভাবেই হাসতে খেলতে দিনগুলো কাটছিল আমাদের দুই ভাই এর।  এক দিন ছোটু কে নিয়ে আমি যখন মাঠে খেলতে যাচ্ছিলাম তখন রাস্তার পাশে বসে থাকা লোকজন আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন _ “আরে তোর ভাই এতো সুন্দর ও ফর্সা কিন্তু তুই এতো কালো কেনো, ঠিক যেনো বাঁদর।” এই বলে তারা নিজেদের মধ্যে হাসা হাসি শুরু করে দিল। আমি তাদের কোনো জবাব না দিয়েই এগিয়ে গেলাম। কথাটা কর্ণপাত না করলেও ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে বাধ্য হলাম। যে কেনো তারা এরকম একটা কথা বলল, কিন্তু কতক্ষণ!, খেলা করতে মাঠে কখন পৌঁছব তানিয়ে ব্যাস্ত ছিলম। ধীরে ধীরে সময় কাটতে থাকে এবং আমিও ওই ব্যাপারটা ভুলে যেতে থাকি। কিছুদিন পরে আমি পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। নতুন স্কুল, নতুন বন্ধু পেয়ে   খুবই খুশি ছিলাম। বেশ সুন্দর ভাবে কাটছি...

লড়াই [ FIGHTING ]

ছবি
                                 “ লড়াই ”- শব্দটি দেখে হয়তো আপনি ভাবছেন কোন প্রকার রণক্ষেত্রের ব্যাপারে কথা হবে হয়তো কিন্তু তা নয়। তাহলে আবার কেমন লড়াই ? এই প্রশ্নটাই মাথায়  আসছে তো। তাহলে চলুন গল্পটা একবার দেখে নেওয়া যাক, আশা করছি তাতে আপনার কিছুটা হলেও ধারণা হবে যে কোন প্রকারের লড়াইয়ের কথা আমি বলতে চেয়েছি। একটি গ্রামে বিশু নামে একজন চৌকিদার ছিল। সে রাত্রি বেলা গ্রামে পাহারা দিত। যাতে কোন প্রকারের চোর বা ডাকাত ওই গ্রামে এসে উৎপাত না করতে পারে। এবং সঙ্গী হিসাবে একটি কুকুর তার কাছে থাকতো। কিন্তু বিশুচৌকিদার ঠিকমতো তার কাজ করতে পারছিল না। কারণ তার কাছে যে কুকুরটি ছিল সে বয়স্ক হয়ে পড়েছিল। তার মধ্যে আর সে শক্তি ছিলনা যে কোন প্রকার চোর-ডাকাত এলে তাদের শায়েস্তা করতে পারবে। তাই চৌকিদার তাকে আর সঙ্গে রাখতে চাইছিল না।  একদিন সন্ধ্যেবেলা কুকুরটি ঘুরতে ঘুরতে গ্রামের একটি পরিত্যক্ত অগভীর কুয়ায় পড়ে যায়। কুয়ার গভীরতা সেরম না হলেও কুকুরটির উচ্চতা থেকে বেশি ছিল। তাই শত চেষ্টা করার পরেও সে ওই ...

প্রিয়জন নাকি প্রয়োজন ? [BELOVED OR NEEDED]

ছবি
                      মুখোশ পরিধারণ করা এই সমাজে এটা বিবেচনা করাটা খুবই মুশকিল যে আপনি কারোর  প্রিয়জন, নাকি শুধুই তার প্রয়োজন। যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে যায়। এই প্রসঙ্গে একটি গল্প আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।  - প্রিয়জন নাকি প্রয়োজন! নন্দিপুর নামক এক গ্রামে ভোলা নামের একটি ছেলে তার দাদুর সঙ্গে মাটির কুটিরে বাস করত। ভোলার  দৃষ্টিশক্তি ভালো ছিল না বলে গ্রামের কোন বাচ্চাই তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইতো না। কারণ ভোলার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হাওয়াই সে কোন প্রকারের খেলাতে বাকিদের মতো ক্রিয়াকৌশলে দক্ষ হয়ে উঠতে পারত না।  সে তার বেশিরভাগ সময়ই দাদুর কাছে গল্প শুনেই করতো। এইভাবে কেটে যায় বহুদিন। একদিন ভোলা তার বাড়ির পেছনের বাগানে ঘুরতে, ঘুরতে একটি আম গাছ দেখে একেবারে বাগানের শেষ দিকের কোণে। ভোলা ওই আম গাছটির কাছে গিয়ে তার মনের দুঃখ প্রকাশ করে। গাছটি সবকিছু শুনে ভোলা কে উত্তর দেয়- তুমি কি আমার বন্ধু হবে !  ভোলা এটা শুনে খুব খুশি হলা, কারণ সে আজ প্রথমবার কাউকে বন্ধু পাতিয়েছে। প্রথমবার কেউ তাকে বন্ধু বলে ডেকে...